
ছবি: সংগৃহীত
সৎমায়ের কানিকটিকাট বাড়িতে ২০ বছরের বেশি সময় বন্দী থাকা ৩২ বছর বয়স্ক এক ব্যক্তির সাহায্যের জন্য এক লাখ ২০ হাজার ডলারের অধিক সংগ্রহ করা হয়েছে। ওই লোক মুক্তির জন্য শেষ পর্যন্ত বাড়িটি ধ্বংস করার জন্য আগুন ধরিয়ে দিয়েছিলেন। ‘অকল্পনীয় ুঃসময়’ অতিবাহিত করা ওই লোককে সহায়তার জন্য গ্রেটার ওয়াটারবারির সেফ হেভেনের উদ্যোগে এই অর্থ সংগ্রহ করা হয়। অন্তত ুই হাজার লোক এই উদ্যোগে সাড়া দিয়ে অর্থ প্রদান করেছে।
এই অর্থ দিয়ে তার চিকিৎসা, পরিচর্যা, কাউন্সিলিং এবং থেরাপি দেওয়া হবে। এছাড়া তার বাসস্থান, জীবনযাত্রার ব্যয়ভারও বহন করা হবে। এছাড়া তিনি যে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, তার বিচার যাতে তিনি পান, সেই লড়াইয়ের কাজেও প্রাপ্ত অর্থ খরচ করা হবে।
অর্থ সংগ্রহকারীরা জানিয়েছে, যত ছোটই হোক না কেন, প্রতিটি দানই এই ব্যক্তির নিরাময়, পুনর্গঠন ও সুস্থ থাকার কাজে ব্যয় করা হবে।
এই ুরাবস্থার শিকার ব্যক্তিটির নাম প্রকাশ করা হয়ীন। তিনি কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন, তিনি গত ুই দশক ওয়াটারবারির একটি জীর্ণ বাড়ির তালাবদ্ধ ৯ ফুট বাই ৮ ফুটের একটি কক্ষে কাটিয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন, তাকে প্রায়ই খাবার ও পানি থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। তিনি আবর্জনার ক্যান থেকে খাবার খেয়েছেন, টয়লেটের পানিও পান করেছেন।
উদ্ধারের সময় তার ওজন ছিল মাত্র ৬৯ পাউন্ড। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, তাকে দেখে মনে হয়েছিল যে তিনি কোনো কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্প থেকে সবেমাত্র বের হয়েছেন।
তিনি নির্যাতন আর সইতে না পেরে ১৭ ফেব্রুয়ারি হ্যান্ড স্যানিটাইজার, প্রিন্টার ও একটি লাইটার ব্যবহার করে বাড়িটিতে আগুন ধরিয়ে দেন।
দমকল বাহিনী আগুন নেভাতে এসে ওই লোকটিকে উদ্ধার করে। তার চিকিৎসা চলছে।
তিনি ১১ বছর বয়স থেকে ওই বন্দী ছিলেন।
তার সৎমা কিম্বারলি সুলিভানকে গত সপ্তাহে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে ফার্স্ট ডিগ্রি হামলা, সেকেন্ড ডিগ্রি অপহরণ, ফাস্ট ডিগ্রি বেআইনি আটক রাখা, মানুষের প্রতি নির্দয় আচরণ করা এবং বেপরোয়াভাবে বিপদগ্রস্ত করার অভিযোগ আনা হয়েছে।
পরে তিন লাখ ডলার প্রদানসাপেক্ষে তাকে জামিন দেওয়া হয়।
তার আইনজীবী জানিয়েছেন, পরবর্তী শুনানির সময় ওই নারী নিজেকে নির্দোষ দাবি করবেন।