
ছবি: সংগৃহীত
জনসম্মুখে মাস্ক পরার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার গভর্নর ক্যাথি হোকুলের পরিকল্পনাটি ভ-ুল হয়ে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তার পরিকল্পনাটির ব্যাপারে ডেমোক্র্যাট শিবির ইতোমধ্যেই বিভক্ত হয়ে পড়েছে। একদল মনে করছে, এটি অপরাধ নির্মূলের অংশ হিসেবে বিবেচনা করে সমর্থন করছেন। অন্য দল মনে করছে, এই নিষেদাজ্ঞা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে জয়ী করবে।
স্টেট সিনেটর জেমস স্কুউফিস বলেন, ‘বর্তমান অপরাধ দমন আইনের অর্থ দাঁড়ায় : আপনি কাউকে হয়রানি করতে পারবেন না, আপনি লোকজনকে হুমকি দিতে পারবেন না।’
গভর্নর গত গ্রীষ্মে যুক্তি দিয়েছিলেন যে মাস্কের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হলে সাবওয়ে অপরাধ কমে যাবে।
তার সমর্থকেরা বলছেন, এর ফলে অ্যান্টিসেমিটিজমও কমবে, বিশেষ করে ইসরাইল-হামাস যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ক্যাম্পাসগুলোতে বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার প্রেক্ষাপটে।
কুইন্সের ডেমোক্র্যাটিক অ্যাসেমব্লিওম্যান নিলি রোজিক বলেন, ‘কলেজ ক্যাম্পাসগুলোতে ইহুদি শিক্ষার্থীরা নিজেদের পরিস্থিতির শিকার মনে করে। লোকজন তাদেরকে টার্গেট করে। আর তারা তা করে মাস্কের আড়ালে।’
কুইন্স ও নাসাউ কাউন্টির অংশবিশেষে রিপাবলিকান প্রতিনিধি স্টেট অ্যাসেম্বলিম্যান অরি ব্রাউন বলেন, ‘সরকারের প্রথম দায়িত্ব হলো তার নাগরিকদের সুরক্ষা দেওয়া। কারা নাগরিকদের ওপর হামলা করছে, তা যদি আমরা না জানি, তবে কি হবে?’
এদিকে অনেক ডেমোক্র্যাট বলছে, কলেজ ক্যাম্পাসে মাস্কের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে। এই প্রেক্ষাপটে গভর্নরের মাস্ক নিষেধাজ্ঞাকে তারা ট্রাম্পের জয় হিসেবে দেখছেন।
ডেমোক্র্যাটিক কুইন্স স্টেট অ্যাসেমব্লিম্যান অ্যান্ড্রু হেভেসি বলেন, ‘সমস্যা হলো, এখন আমাদের যে প্রেসিডেন্ট আছেন, তিনি বিক্ষোভকারীদের লাথি মেরে আমেরিকা থেকে বের করে দিতে চাচ্ছেন।’