
ছবি: সংগৃহীত
দেখতে দেখতে বিদায়ের দ্বারপ্রান্তে চলে এসেছে রহমত, মাগফিরাত আর নাজাতের মাস, পবিত্র মাহে রামাদান। আগামী সোমবার বা মঙ্গলবার মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর। বিশ্বব্যাপী মুসলিমদের জীবনে আনন্দের এ দিনটি উদযাপিত হয় শুভ্র-শ্যামল আবেশে। টানা এক মাসের সিয়াম সাধনার পর মুসলমানরা ঈদগাহের বিশাল পরিসরে গিয়ে তাদের হৃদয়ের পরিশুদ্ধ প্রেম-ভালবাসা ভাগ করে নেয় অপর মুসলমানের সঙ্গে। সেইসঙ্গে বিশ্বের সকল ধর্ম, বর্ণের মানুষের প্রতি কামনা করে মুক্তি ও কল্যাণ। সবাই এক বাক্যে বলে ঈদের আনন্দ ছড়িয়ে পড়–ক বিশ্বের সবখানে। বিপন্ন মানবতার পাশে দাঁড়াক সব মানুষ।
বিশ্বজুড়ে যখন ঈদের আগমনী বার্তা, শাওয়ালের একফালি বাঁকা চাঁদের দিকে তাকিয়ে যখন কোটি কোটি মুসলিম তখন ফিলিস্তিনে রক্ত ঝরছে মুক্তিকামীদের। পবিত্র লাইলাতুল কদরে মুসলিম উম্মাহ আরশের মালিকের নিকট যত অভাব-অভিযোগ জানিয়েছেন বা জানাচ্ছেন। যত অপ্রাপ্তি-অপ্রতুলতার কষ্ট লাঘবে সাহায্য চেয়েছেন বা চাচ্ছেন সমস্ত শক্তির আঁধার আল্লাহর কাছে। মসজিদে মসজিদে হয়েছে বিশেষ দোয়া-মুনাজাত। সেই মুনাজাতে বাদ যায়নি ফিলিস্তিন, সিরিয়া, লেবানন কিংবা উগান্ডার ক্ষুধার্ত শিশু থেকে শুরু করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কিংবা বাংলাদেশের কোনো বয়োবৃদ্ধও। সবার একটাই ফরিয়াদ ‘হে রাজাধিরাজ- পৃথিবীর সকল সমস্যার সমাধান করে দাও। জুলুম-নির্যাতন আর অন্যায়ের কবর রচনা করে ন্যায়-সাম্য আর শান্তির ফায়সালা করে দাও। পবিত্র রামাদানের এই শিক্ষাকে আমাদের জীবনের মূল উপজীব্য করো। আমরা যেন রমজানের ত্যাগের আলোয় আলোকিত হয়ে হতে পারি ইহকাল ও পরকালের কামিয়াব বান্দা। আমীন। ইয়া রাব্বাল আলামীন।’
০০০
শুভেচ্ছা
ঈদুল ফিতর উপলক্ষে নবযুগ’র পাঠক, লেখক, বিজ্ঞাপনদাতা, শুভাকাঙ্খীসহ সকলে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা।-সম্পাদক