
ছবি: সংগৃহীত
ব্যতিক্রমী এক শুনানিকালে বিচার বিভাগের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড জানিয়েছেন, একজন বিচারক যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম নগরীর মেয়রের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা খারিজ করে দিয়েছেন। এই মামলার ওপর মেয়রের স্বাধীনতা ও রাজনৈতিক ভবিষ্যত অনেকাংশে নির্ভরশীল ছিল। এরিক অ্যাডামস আদালতে ঘোষণা করেন, ‘আমি কোনো অপরাধ করিনি।’
এক ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে অনুরোধটি খতিয়ে দেখে ম্যানহাটানের ফেডারেল বিচারপতি ডেল ই হো সাথে সাথেই কোনো রায় দিতে অস্বীকার করেন। তিনিবলেন, তিনি ‘অস্বাভাবিক পরিস্থিতিটি’ সতর্কতার সাথে পর্যালোচনা করবেন। তবে তিনি স্বীকার করেন যে এর বিপুল রাজনৈতিক ও আইনগত প্রভাব রয়েছে। এমনকি অ্যাডামসের পুনঃনির্বাচনের প্রচারণাও এর ওপর নির্ভর করবে। তিনি আরো ইঙ্গিত দেন, শিগগিরই তিনি এ ব্যাপারে রায় দিচ্ছেন না।
তিনি বলেন, ‘আমি বেঞ্চে বলে আবেগপ্রবণ হতে পারি না।’
ম্যানহাটানের ফেডারেল প্রসিকিউটরদের আপত্তির বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের কর্মকর্তাদের দায়ের করা অনুরোধ প্রত্যাশিতভাবেই এই যুক্তি দেওয়া হয় যে এই মামলার ফলে নগরী পরিচালনা করতে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে অ্যাডামসকে। তাছাড়া এর ফলে তিনি ট্রাম্প প্রশাসনের চলমান অভিবাসন দমন অভিযানে সহযোগিতাও করতে পারছেন না।
আগে আদালতে হাজির হওয়ার সময় মেয়র অ্যাডামস বেশ উদ্বেগে থাকতেন। কিন্তু এবারে তিনি বেশ খুশির মেজাজে চিলেন। তিনি ধীরে ধীরে আদালত কক্ষে প্রবেশ করেন, প্রথম সারিতে বসা কৃষ্ণাঙ্গ ধর্মযাজকদের সাথে কোলাকুলি করেন।
তিনি শপথ করে বলেন, তার ও সরকারের মধ্যে কোনো ধরনের ‘সমঝোতা’ হয়নি। তিনি বলেন, ‘আমি কোনো অপরাধ করিনি। ফলে আমি এ নিয়ে ভীত নই।’