
ছবি: সংগৃহীত
অন্য যেকোনো সময়ে রিয়েল এস্টেট শিল্পের কাছ থেকে অর্থ গ্রহণকে ডেমোক্র্যাটিক নগর রাজনীতির জন্য লজ্জাজনক বিষয় হিসেবে গণ্য হয়। কিন্তু এখন এসব ডোনেশন অনেক প্রার্থীর কাছেই অনাকাক্সিক্ষত নয়।
এই যেমন সাবেক সিটি কম্পট্রোলার স্কট স্ট্রিনগারের কথা বলা যেতে পারে। তিনি ২০২১ সালের নির্বাচনে কয়েকটি রিয়েল এস্টেট কোম্পানির কাছ থেকে অর্থ সংগ্রহ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন। এবার তিনি বলছেন, তিনি এখন ডোনেশন নিষিদ্ধ করছেন না।
একইভাবে ব্রুকলিনের স্টেট সিনেটর জেলনর মারি বলেন, ‘কয়েকটি রিয়েল এস্টেট শিল্পের সাথে আবার সার্বক্ষণিক কথাবার্তা চলছে। আমাকে এসব ডোনেশন গ্রহণ করতে হবে।’
চলতি বছরের ডেমোক্র্যাটিক প্রাইমারিতে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী বেশিভাগ প্রার্থীই নগরীর বৃহত্তম এবং সম্ভাব্য রাজনৈতিকভাবে সবচেয়ে শক্তিশালী শিল্পটিকে গ্রহণ করছেন।
ইতোমধ্যেই রিয়েল এস্টেট কোম্পানি ও নির্বাহীরা মেয়র নির্বাচনকে প্রভাবিত করার জন্য মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার ডোনেশন করছেন। তারা এ ব্যাপারে বেশ উদারতার পরিচয় দিচ্ছেন।
ডেমোক্র্যাটিক পরামর্শক ডগ ফোর্যান্ড বলেন, নিউ ইয়র্কে আরো বেশি বাড়ি না বানিয়ে এখানকার গৃহায়ন সমস্যার কোনো সমাধান হবে না। ফলে রিয়েল এস্টেট কোম্পানিগুলো আলোচনায় থাকবেই। নির্বাচিত কর্মকর্তাদেরকে রিয়েল এস্টেট নেতাদের সাথে সম্পর্ক বজায় রাখতেই হবে।
উদারণ হিসেব বলা যায়, নিউ ইয়র্কের রিয়েল এস্টেট বোর্ডের চেয়ারম্যান নির্বাচনকে সামনে রেখে সাবেক গভর্নর অ্যান্ড্রু কোমো, রাজনীতিতে নবাগত উইটনি টিলসন ও ম্যারিকে ডোনেশন করেছেন।
নির্বাচনে সর্বশেষ ব্যক্তি হিসেবে নামা সিটি কাউন্সিল স্পিকার অ্যাড্রিন অ্যাডাস একমাত্র প্রার্থী হিসেবে বোর্ডের পলিটিক্যাল অ্যাকশন কমিটির কাছ থেকে সত্যিকারের ডোনেশন পেয়েছেন।
এক হিসাবে দেখা গেছে, কোমো যত অর্থ সংগ্রহ করেছেন, তার অর্ধেকই এসেছে নিউ ইয়র্কের রিয়েল এস্টেট কোম্পানিগুলো থেকে।